কাদের মোল্লাই ৭১ এর কুখ্যাত রাজাকার কসাই কাদের

৭১ এর এই কুখ্যাত রাজাকার কসাই কাদের নিজেকে  মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচারের হাত থেকে বাঁচাতে অনেক মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে বিচারকে, আদালত কে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে। আসুন জেনে নেই আমরা কসাই কাদের এবং তার আইনজীবীদের মিথ্যাচার-

কাদের মোল্লা এবং তার আইনজীবীরা আদালতে বার বার প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছেন যে, কাদের মোল্লা আর কসাই কাদের আলাদা ব্যাক্তি। আর আসল বিহারী কাদের কসাই এর জন্য একজন ধার্মিক জামায়েত ইসলামের নেতা কাদের মোল্লার ফাঁসি হয়ে যাচ্ছে।

রাজাকার কাদের মোল্লা আদালতে কোরআন শরীফ ছুঁয়ে ট্রাইব্যুনালকে অনেক বার বলেছে যে,

“ আজ এই কোরআন শরীফ হাতে নিয়ে আমি আল্লাহর নামে শপথ করে বলছি, ১৯৭১ শালে মিরপুরের কসাই কাদের কর্তৃক যেইসব হত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য আমাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হলো তার একটি অপরাধের সাথেও আমার দূরতম কোন সম্পর্ক নেই। কাদের মোল্লা বলে, আল্লাহর নামে শপথ করে বলছি আমি ১৯৭৩ সালের আগে কোনদিন মিরপুরেই যাইনি।”

এবার যদি এই কাদের মোল্লা আর কসাই কাদের যে এক ব্যাক্তি সেটা যদি প্রমাণ করতে পারি তাহলে কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে সকল আনিত মানবতা বিরোধী অপরাধ প্রমানিত হয়ে যাবে।

অনেক তথ্য আর প্রমাণ দিয়েই প্রমাণ করতে পারব আপনাদের,

একটু পাকিস্তানের দিকে তাকাই, পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  কি বলেছিলেন আপনাদের খেয়াল আছে? না থাকলে সমস্যা নাই, আমি বলছি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চৌধুরী নিসার বলেছিল, “ ১৯৭১ সালের ঘতনার ৪২ বছর পর কাদের মোল্লার ফাঁসি একটি দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের প্রতি বিশ্বস্ততা ও সংহতির জন্য কাদের মোল্লার ফাঁসি দেয়া হয়েছে এতে কোন সন্দেহ নাই। তার মৃত্যুতে সকল পাকিস্তান মর্মাহত এবং শোকাহত। তিনি আরও বলেন, এ ঘটনার মাধ্যমে পুরনো ক্ষত আবারো জাগিয়ে তোলা হয়েছে।”

আমার একটা ব্যাপারে তুমুল কৌতূহল, বাংলাদেশে কাদের মোল্লার ফাঁসি হয়ে যাচ্ছে, এতে পাকিস্তানের এত মাথা ব্যাথা কেন করে? কাদের মোল্লার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কিসের এত দরদ? পুরনো ক্ষত দিয়ে কি বুঝাইতে চাইছেন?  এত মাথা ব্যাথা কেন তাঁর? বাংলাদেশের আভ্যন্তরীণ ব্যাপারে এখনও তাদের এত আগ্রহ কেন? আর সেটা কাদের মোল্লার জন্যই! কেন? এতে কি প্রমানিত হয় না যে কাদের মোল্লাই ৭১ এর কসাই কাদের?

পাকিস্তানের জামায়েত ইসলামের প্রধান মুনাওয়ার হাসান তাদের বাংলাদেশী সহচর হিসেবে কাদের মোল্লা কে আখ্যা দেয় এবং কাদের মোল্লার ফাঁশিকে অত্যন্ত দুঃখজনক এবং শোচনীয় বলে মন্তব্য করেন।” শুধু তাই নয় কাদের মোল্লাকে ফাঁসি দেয়ায় বাংলাদেশ আক্রমণের জন্য নিজেদের সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে পাকিস্তানের জামায়েত-ই- ইসলামী।

 তারা কিন্তু সবসময় দাবি করেছেন কসাই কাদের আর কাদের মোল্লা এক ব্যাক্তি নয়, তাহলে বাংলাদেশ আক্রমণের প্রস্তাব কেন করেছিলো তারা? কিসের এত টান ছিল কাদের মোল্লার প্রতি? তারা বার বার প্রমাণ করেছে কাদের মোল্লা তাদের বিশ্বস্ত অনুচর ছিল। তাহলে এটাই কি প্রমানিত হয় না কাদের মোল্লা আর কসাই কাদের এক ব্যাক্তি!

আরও বলি, কাদের মোল্লা জবানবন্দীতে বলেছিল, “১৯৭১ সালের ১২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরের আমিরাবাদ চলে যান এবং মুক্তিযুদ্ধের পুরো সময়ই তিনি গ্রামের বাড়িতে অবস্থান করেন। গ্রামে অবস্থানকালে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও হাই স্কুলের প্রায় ৩০ জন ছাত্রের সাথে মুক্তিযুদ্ধের প্রশিক্ষণ নেন। ১৯৭১ সালের ২৩ মার্চ থেকে ১ মে পর্যন্ত (পাকিস্তান সেনাবাহিনী ফরিদপুরে পৌঁছার দিন পর্যন্ত) অন্যদের সাথে তিনি মুক্তিযুদ্ধের প্রশিক্ষণ চালিয়ে যান। সেনাবাহিনীর জুনিয়র কমিশনড অফিসার (জেসিও) মফিজুর রহমান ডামি রাইফেল দিয়ে তাদের প্রশিক্ষণ দেন।” (ইত্তেফাক)

একটু খেয়াল করে দেখেন, কাদের মোল্লা কিন্তু তার জবানবন্দীতে বলেছে, একাত্তরে সে মুক্তিযোদ্ধা ছিল।

কিন্তু পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “পাকিস্তানের প্রতি বিশ্বস্ততা ও সংহতির জন্য কাদের মোল্লাকে ফাঁসি দেয়া হয়েছে এখানে কোন সন্দেহ নাই।”

তাহলে কি এটাই প্রমানিত হয় না যে কাদের মোল্লা আর কসাই কাদের এক ব্যাক্তি?

এতক্ষন গেল পাকিস্তানিদের কথা, এবার চাক্ষুষ সাক্ষীর কথা বলি,

একঃ ফজর আলী

“মিরপুর ১১ নম্বর বি ব্লকের বাসিন্দা ফজর আলী গণতদন্ত কমিশনকে দেওয়া সাক্ষ্যে তার ছোটভাই মিরপুর বাংলা কলেজের ছাত্র পল্লবকে নৃশংসভাবে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত করেন। ২৯ মার্চ নবাবপুর থেকে পল্লবকে তুলে নিয়ে আসে কাদের মোল্লার সাঙ্গপাঙ্গরা। এরপর তার নির্দেশে ১২ নম্বর থেকে ১ নম্বর সেকশানের শাহ আলী মাজার পর্যন্ত হাতে দড়ি বেধে হেচড়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ছাত্রলীগ কর্মী পল্লবকে। এরপর আবার ১ নম্বর থেকে ১২ নম্বর সেকশনের ঈদগাহ মাঠে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে টানা ২ দিন একটি গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয় পল্লবকে। ঘাতকরা এরপর তার দু হাতের সবকটি আঙুল কেটে ফেলে। ৫ এপ্রিল একটি মজার খেলা খেলেন কাদের মোল্লা। সঙ্গীদের নির্দেশ দেওয়া হয় গাছে ঝোলানো পল্লবকে গুলি করতে, যার গুলি লাগবে তাকে পুরষ্কার দেওয়া হবে। পরে কাদের মোল্লার সঙ্গী আখতার পল্লবের বুকে ৫টি গুলি করে পরপর। পল্লবের লাশ আরো দুইদিন ওই গাছে ঝুলিয়ে রাখেন কাদের মোল্লা, যাতে মানুষ বোঝে ভারতের দালালদের জন্য কি পরিণাম অপেক্ষা করছে। ১২ নম্বর সেকশানে কালাপানি ঝিলের পাশে আরো ৭ জন হতভাগার সঙ্গে মাটিচাপা দেওয়া হয় পল্লবকে। অক্টোবরে মিরপুর ৬ নম্বর সেকশানে একজন মহিলা কবি মেহরুন্নেসাকে প্রকাশ্যে নিজের হাতে নির্মমভাবে হত্যা করে কাদের মো্ল্লা। প্রত্যক্ষদর্শীদের একজন সিরাজ এই নৃশংসতায় মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। মূলত বিহারীদের নিয়ে একটি খুনে দল তৈরী করেছিলেন কাদের মোল্লা আর বুলেট বাচাতে জবাই করা ছিলো তার কাছে বেশী প্রিয়।”

দুইঃ ফিরোজ আলী

“ফিরোজ আলী তখন মধ্য বয়স্ক এক ব্যক্তি, তিনি একাত্তর সালে স্বপরিবারে মিরপুরে থাকতেন। একাত্তরের ২৫ মাচের্র পর তার ভাই পল্লবকে শুধু ‘জয় বাংলা’র অনুসারী হওয়ার অপরাধে কাদের মোল্লার নির্দেশে অবাঙ্গালি গুন্ডারা অকথ্য নির্যাতন করে নির্মম ভাবে হত্যা করে। তখন সমগ্র মিরপুরে হত্যা আর ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে কাদের মোল্লা ও তার অনুসারী অবাঙ্গালিরা । জবাই করে বাঙ্গালি হত্যা ছিল তাদের প্রতিদিনের রুটিনমাফিক কাজ। একেকটি জবাইর আগে ঘোষনা দিত যারা বাংলাদেশ তথা জয় বাংলা অনুসারী, তারা বিধর্মী-নাস্তিক-ভারতের দালাল, এদের হত্যা করা সওয়াবের কাজ! এমন জবাই’র নেশা বেড়ে যাওয়ায় কাদের মোল্লার নাম তখন এ তল্লাটে আতঙ্কের সমার্থক শব্দ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। স্থানীয়রা আব্দুল কাদের মোল্লাকে ‘কসাই কাদের’ নামকরণ করে । গরু জবাই এর মত মানুষ জবাই এ দক্ষতার নামডাকে(!) কসাই কাদের ‘মিরপুরের কসা‌ই’ নামেও পরিচিতি লাভ করে ব্যাপক ।
কসাই কাদের মোল্লার প্রতিহিংসার শিকার শহীদ পল্লবের ডাক নাম ছিল ‘টুনটুনি’। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে বেশকিছু চলচিত্রে পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবে অভিনয় করে সুখ্যাতি অর্জন করে প্রতিপক্ষের চক্ষুশূল হন পল্লব। এ কথা জানান ফিরোজ আলীর স্ত্রী। পল্লব ছাড়াও কবি মেহেরুননেছা নামের এলাকায় খুবই শান্ত-নিরীহ প্রকৃতির বাঙ্গালী গৃহবধূ কসাই কাদের মোল্লার প্রতিহিংসার বলি হন। মিরপুর ৬ নং সেকশন, ডি ব্লক মুকুল ফৌজের মাঠের কাছাকাছি একটি বাড়িতে থাকতেন কবি মেহেরুননেছা। তিনি ছিলেন কবি কাজী রোজী’র ঘনিষ্ঠ বান্ধবী । কসাই কাদের মোল্লার নির্দেশে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে লেখালেখি’র অপরাধে মেহেরুননেছাসহ তার পুরো পরিবারকে বটি দিয়ে কেটে টুকরো টুকরো করা হয়েছিল! এরপর টুকরো করা নরমাংস খন্ডগুলো নিয়ে ফুটবলও খেলা হয়েছিল ৬ নং মুকুল ফৌজ এর মাঠে! কসাই কাদের মোল্লার নির্দেশে ৩০/৩৫ জনের একটি অবাঙ্গালি ঘাতকের দল, মাথায় লাল ফিতা বেঁধে, ধারালো তলোয়ারে সজ্জ্বিত হয়ে অংশ নেয় কবি মেহেরুননেছা ও তার পরিবারকে হত্যাকান্ডে!”

তিনঃ কাদের মোল্লার বন্ধু

মোজাম্মেল এইচ খান

“১৯৭৩ সালের প্রথমার্ধে আমি যখন উচ্চশিক্ষার জন্য দেশের বাইরে আসি তখন জানতাম না কাদের কোথায় আছে। ১৯৭৯ সালে আমি দেশে বেড়াতে গেলে একদিন যখন ঢাকার মগবাজারের রাস্তা দিয়ে হাঁটছি তখন পেছন থেকে একজন আমাকে জড়িয়ে ধরে বলল, ‘তুই কি মোজাম্মেল? আমি কাদের।’ আমার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ছিল,‘কাদের,তুই বেঁচে আছিস?’ কাদেরের উত্তর ছিল,‘হ্যাঁ, আমি ভালভাবে বেঁচে আছি এবং এখন আমি দৈনিক সংগ্রামের নির্বাহী সম্পাদক। তোর “জয় বাংলা” এখন এদেশ থেকে নির্বাসিত; ফিরে এসেছে আমাদের জিন্দাবাদ এবং এটা এখনপ্রচণ্ড ভাবে জাগ্রত।’ যেহেতু কাদের সত্য কথাই বলেছিল, সেহেতু আমি ওর কথার কোন জবাব দিতে পারিনি। কয়েক সপ্তাহ পরে আমি যখন যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যাই তখন সংবাদপত্রে পড়লাম প্রেসক্লাবে একটি বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিল কাদের মোল্লা; একেই বলে ভাগ্যের নির্মম পরিহাস!”

আরও কিছু বিতর্কিত প্রশ্নের উত্তর আগে ভাগে দিয়ে দেই-

১)১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ রাইফেলস কলেজের সিনিয়র শিক্ষক ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসাবে কাদের মোল্লা কিভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারলেন? কি করে ১৯৮২ ও ১৯৮৩ সালে ২বার সাংবাদিকদের বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হলেন?

উত্তরঃ ১৯৭৭ সালে এই দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন একজন রাজাকার, কেবিনেটে ছিলো ১৮ জন রাজাকার এম্পি, ৫-৬ জন রাজাকার মন্ত্রী।

২) কি করে তিনি ১৯৭২ সালের শেষের দিক থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদুল্লাহ হলের আবাসিক ছাত্র হিসাবে হলে অবস্থান করে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যায়ন অব্যাহত রাখতে পারলেন?

উত্তরঃ ১৯৭২ সালের শেষের দিক থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিলেন না।

কাদের রাজেন্দ্র কলেজেই বিএসসি পড়ে (১৯৬৬-১৯৬৮) এবং ১৯৬৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাস কোর্সে এমএসসিতে ভর্তি হয়, তার পরিবার বলেছে সে স্বাধীনতার পর পরই ১৯৭২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে আসে এবং ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত সেখানে অধ্যয়ন করে। এ বক্তব্যের প্রথম অংশটুকু সত্য নয় এবং যে কোন পাঠকই বুঝতে পারবেন দুই বছরের এমএসসি ডিগ্রীর জন্য ৮ বছর (১৯৬৯-১৯৭১, ১৯৭২-১৯৭৭) বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থান করার হিসাব মেলানো যায় না।
১৬ ডিসেম্বর আমাদের বিজয়ের পর কাদের আত্মগোপন করে এবং ১৯৭৬ সালে সে আত্মগোপনতা থেকে বেরিয়ে এসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পুনরায় ভর্তি হয় এবং ১৯৭৭ অবধি সে ছাত্র ছিল।

http://www.unmochon.com/2013/12/12/55182.html#.UqyUlWUqaZ_

আশা করি কসাই কাদের আর কাদের মোল্লা যে এক ব্যাক্তি ছিলেন সেটা প্রমাণ করতে পেরেছি। যারা কাদের মোল্লাকে আর কসাই কাদের কে আলাদা করে প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন তাদের জন্য প্রমাণ সহকারে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিলাম। আশা করব এর পর আর কোন বিতর্ক থাকবে না  কাদের মোল্লা ওরফে কসাই কাদের কে নিয়ে।

সুত্রঃ

১) http:bn.wikipedia.org/wiki/আব্দুল_কাদের_মোল্লা
২)http://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article713859.bdnews
৩)http://www.somewhereinblog.net/blog/niandarthal/29905160
৪)http://www.somewhereinblog.net/blog/majoy/29761606
৫)http://www.unmochon.com/2013/12/12/55182.html#.UqyUlWUqaZ_
৬)http://www.bdtomorrow.com/newsdetail/detail/41/58586
৭)http://www.facebook.com/JIPOfficial
৮)http://www.kalerkantho.com/online/world/2013/12/14/30648
৯)http://www.prothom-alo.com/home/article/98515/
১০)http://www.ittefaq.com.bd/index.php…

১১) আরিফ রহমানের ফেসবুক আর্কাইভ