রণদা ও তার ছেলে অপহরণের তদন্ত শুরু

ranadavabaniমুক্তিযুদ্ধের সময় কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা রণদা প্রসাদ সাহা ও তার ছেলে ভবানী প্রসাদ সাহা অপহরণের ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।

তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত কর্মকর্তা আতাউর রহমানকে। তদন্ত সংস্থার সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান খান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

জানা গেছে, ইতিমধ্যে টাঙ্গাইলসহ বিভিন্ন স্থান পরিদর্শনও করেছেন তদন্ত সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তা সানাউল হক বলেন, বিখ্যাত দানবীর রণদা প্রসাদ সাহা ও তার ছেলে ভবানী প্রসাদ সাহাকে মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালের ৭ মে রাজাকারদের সহায়তায় পাকিস্তানি বাহিনী নারায়ণগঞ্জের খানপুর এলাকার সিরাজউদ্দৌলা রোডের বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যায়। এরপর তাদের আর কোনো খোঁজ মেলেনি। এ ঘটনার তদন্তকাজ শুরু হয়েছে। এ ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আতাউর রহমানকে।

রণদাপ্রসাদ সাহা ১৮৯৬ সালের ১৫ নভেম্বর ঢাকার সাভারে  কাছুর গ্রামে মাতুলালয়ে মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম দেবেন্দ্রনাথ সাহা পোদ্দার এবং মাতার নাম কুমুদিনী দেবী তার পৈতৃক নিবাস ছিল টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুরে।

রণদা প্রসাদ সাহা ‘কুমুদিনী ডিসপেনসারি’ প্রতিষ্ঠা করেন। পরে সেটিই কুমুদিনী হাসপাতাল নামে পূর্ণতা লাভ করে। এ ছাড়া তার প্রপিতামহী ভারতেশ্বরী দেবীর নামে ‘ভারতেশ্বরী বিদ্যাপীঠ’ স্থাপন করে ওই অঞ্চলে নারী শিক্ষার সুযোগ করে দেন। এটি ১৯৪৫ সালে ভারতেশ্বরী হোমসে রূপলাভ করে। ১৯৪৩ সালে টাঙ্গাইলে কুমুদিনী কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। বাবার নামে মানিকগঞ্জে দেবেন্দ্র কলেজ স্থাপন করেন। এ ছাড়া তিনি মির্জাপুরে কুমুদিনী মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন।